Wednesday , 21 October, 2020

ওজন কমানোর ১০০% কার্যকরী টিপস, জেনে নিন বিস্তারিত।

মানুষ বিভিন্ন ভাবে তার নিজের শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমানোর উপায় খুঁজে থাকে। তার পারেও অনেকের ওজন কমে না বরং স্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেতেই থাকে। ওজন কমানোর জন্য বিভিন্ন টিপস ও কৌশল রয়েছে। আপনি যদি সঠিক সময় নিয়মিত নিয়ম গুলো মেনে চলতে পারেন তাহলে খুব সহজেই আপনার ওজন কমতে থাকবে। কিছু মানুষ জন্মের পর থেকেই বেশি ওজন থাকে এর জন্য তাদের ওজন কমাতে একটু সময় লাগে। সাধারণত মানুষের ওজন ৭-১৫ দিনে কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করে যদি আপনার ওজন না কমে বাড়তে থাকে তাহলে ভালো মানের একজন ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিৎ।

একটি মানুষের শরীরের ওজন যদি তার ভারসাম্যের বাহিরে চলে যায় তাহলে ওজন কমানোটা সবচেয়ে বেশি জরুরী। ওজন বেড়ে যাওয়ার কারনে মানুষের কাজ করার ক্ষমতা কমে যায়। ফলে অল্পতেই মানুষ ক্লান্ত হয়ে পরে। যারা শরীরের দিকে বেশি যত্ন না নেয় তাদের রোগবালাই বেশি হয়। আপনি শুধু খাবার কম হলেই ওজন কমে যাবে বিষয়টা কিন্তু তা নয়। অনেকে আছে ওজন কমানোর জন্য আহার করা প্রায় বন্ধই করে দেয়। আর এর মধ্যে বেশিরভাগ মানুষই রাতে খাদ্য গ্রহণ করতে চায় না। ইসলামিক নিয়ম অনুযায়ী খাবার খাওয়ার সময় বেশি খেতে নিষেধ করেছে। এবং খাওয়ার আগে একটু পানি পান করার কথা বলা হয়েছে ও খাবার মাঝখানেও পানি পান করার কথা বলা হয়েছে। ইসলামিক নিয়ম অনুযায়ী আপনি এমনভাবে আহার করবেন যেন একটু ক্ষুধা থাকে। আর এমনিতেও আপনি যদি পেট ভরে বেশি খাবার দাবার করেন তাহলে আপনার শরীরের বিভিন্ন ক্ষতি হতে পারে।

অনেকে খাদ্য আহার করার সময় একটি পরিস্থিতির মধ্যে পরে যায়, খাবার দাবার শেষ হওয়ার আগে ভাবতে থাকে আরেকটু খাবো কি না। আর এমন পরিস্থিতে যে আরেকটু খাবার খায় তাঁর শরীরের বিভিন্ন ক্ষতি হয় এবং ওজন বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সুতরাং চালুন আমরা জেনে নেই কিভাবে ওজন কমানো যায়।

১। লেবু ও মধু : শরীরের ওজন কমানোর জন্য লেবু ও মধু্র ভূমিকা অনেক। লেব ও মধু খেয়ে আপনি অতিরিক্ত ওজন কমা থেকে শুরু করে মেদ ও ভুড়ি কমাতে পারবেন। বিভিন্ন ডাক্তার সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে লেবুর রস ও মধু মিশ্রণ করে খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকে। যাদের এসিডিটির সমস্যা তাঁরা সকালে খালি পেটে লেবু খেলে আপনার এসিডি বেড়ে যেতে পারে। সুতরাং খালি পেটে লেবু খাওয়ার জন্য আপনি অল্প লেবুর রস ব্যবহার করতে পারেন। লেবু ও মধু মিশ্রণ করে কিভাবে খাবেন? একটু কুসুম গরম পানির মধ্যে আধা চামচ মধুর সাথে একটি সাধারণ লেবুর সাইজের ৩ ভাগের এক ভাগ লেবু চিবিয়ে রস বের করে মিশ্রণ করে বসে খেয়ে নিবেন। এভাবে আপনি কয়েকদিন লেবু ও মধু খেলে আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করবে। সুতরাং এটা আপনার জন্য একটু ভালো ওজন কমানোর উপায়।

২। শসা : আমরা সাবাই জানি, শসা একটি ডায়েট শস্য। শসার মধ্যে প্রচুর পানি থাকায় আমাদের দেহের জন্য অনেক উপকারে আসে। শসা খাওয়ার পর আমাদের শরীরের চর্বি কেটে যায়। কিন্তু অতিরিক্ত শসা খাওয়া মুটেও ভালো নয়। এক ডাক্তার শসা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা নিয়ে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন যা এখন আপনাদের সামনে তুলে ধরছি। তিনি বলেছেন “শসা আমাদের ওজন কমাথে হেল্প করে কারণ শসায় রয়েছে খুব কম পরিমাণে ক্যালরি এবং শসায় পানির পরিমাণ থাকে অনেক বেশি। এছাড়া শসাতে পটাসিয়াম ছাড়াও আরো বেশি কিছু উপকারি মিনারেল রয়েছে। কিন্তু শুধু শসা খেয়েই আপনি ওজন কমানোর চেষ্টা করলে পরবর্তিতে আপনার বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। কারণ অতিরিক্ত শসা খেলে এসিডিটি ও গ্যাস হতে পারে এবং অন্যান্য নিউট্রিশনের ঘাটতি হতে পারে। এছাড়া শসা খেয়ে ওজন কিছুটা কমার পরেও চুল পড়া, ত্বকের ক্ষতি হওয়া থেকে শুরু করে আরো নানা ধরণের সমস্যা দেখা দেয়।” আশা করি ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওজন কমানোর জন্য পরিমাণ মতো শসা খাবেন।

৩। সুষম খাদ্য : অতিরিক্ত ওজন বেরে গেলে আপনার খাদ্য তালিকার দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। যারা বেশি ফাস্টফুড খাবার পছন্দ করেন তাদের ওজন বেড়ে যাওয়ার চ্যান্স থাকে অনেক। এছাড়া আপনার খাদ্য তালিকায় যদি অপুষ্টিকর খাবার থাকে তাহলে আপনার ওজন বেড়ে যেতে পারে অথবা ওজন কমে যেতে পারে। কারণ অপুষ্টিকর খাবারের কাজ হলো একজন মানুষের শরীরকে ভেঙ্গে দেওয়া বা নষ্ট করে দেওয়া।প্রতিদিন সুষম খাদ্য খাওয়ার ফলে একদিকে যেমন আপনার শরীর থাকবে সুস্থ অন্যদিকে আপনার ওজন স্বাভাবিক থাকবে। খাবারের তালিকা থেকে চর্বিযুক্ত খাবার বাদ দিতে হবে গরুর মাংস না খেয়ে বরং মুরগির মাংস খেতে পারেন। এছাড়া চিনি জাতীয় খাবার থেকে বিরত থাকতে হবে। সুতরাং সুষম খাদ্য ভালো একটি ওজন কমানোর উপায়।

৪। ব্যায়াম করা : শরীরের ওজন কমানোর জন্য ব্যায়ামের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। প্রতিদিন সকালে উঠে ব্যায়াম করতে পারলে আপনার দেহের ওজন কমার সাথে শরীর সুস্থ থাকবে এবং দেহ ও মন ভাল থাকবে।আপনি যদি প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ব্যায়াম করবেন এবং রাতে খাবার এক দেড় ঘন্টা আগে কিছুটা ব্যায়াম করে নিবেন। এতে আপনার ঘুম যেমন ভালো হবে অন্যদিকে ওজন কমাতে হেল্প করবে। তাই ব্যায়াম করা সবচেয়ে ভালো ওজন কমানোর উপায়।

৫। ফাস্টফুড : ওজন কমানোর জন্য ফাস্টফুড খাবার বাদ দিতে হবে। আপনি যখন ফাস্টফুড খাদ্য গ্রহণ করেন আপনার ক্ষুদা আরো বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বাসায় পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পর অনেকে বাহিরে যেয়ে দোকান বা রেস্টুরেন্টে যেয়ে বিভিন্ন প্রকারের খদ্য খেয়ে থাকে রুচির কারনে। ফাস্টফুড খাবার আপনার কাছে বেশি রুচিকর হতে পারে কিন্তু ফাস্টফুডের কারনে আপনার দেহের বিভিন্ন ক্ষতি হতে পারে। ফাস্টফুডে অনেক বেশি তেল থাকে যা আপনার জন্য মুটেও ভালো নয়।

৬। গ্রিন টি পান করুন : সকালে আমরা সাধারণত ব্ল্যাক টি খেয়ে থাকি বা অনেকে দুধ চা খেয়ে থাকে। কিন্তু আপনি যদি প্রতিদিন গ্রিন টি পান করে থাকেন তাহলে আপনার শরীরের জন্য অনেক ভাল। গ্রীন টি খাওয়ার ফলে আপনার শরীরের ওজন কমানো সম্ভব। কারণ গ্রিন চা-এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে এন্টি-অক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। আপনি যদি শুধু গ্রিন টি খেয়ে ওজন কমানোর আশায় থাকেন তাহলে আপনার ধারণাটি ভুল। আপনি ডায়েটের পাশাপাশি গ্রিন টি পান করলে আপনার ওজন কমাতে হেল্প করবে। গ্রিন টি আপনি দিনে ২ থেকে ৩ বার পান করতে পারেন। কিন্তু অতিরিক্ত মাত্রায় পান করার চেষ্টা করবেন না কারণ এর জন্য আপনার এসিডিটি সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৭। লাল আটার রুটি : দৈনন্দিন জীবনে আমরা সাধারণত সাদা এটা খেয়ে থাকি। কিন্তু আপনি প্রতিদিন লালা আটা খেয়ে থাকেন তাহলে আপনার স্বাস্থ্যের কতটা উপকার হতে পারে? লাল আটা খাওয়ার ফলে আপনার ওজন কমানোর পাশাপাশি হাইপার টেনশন থাকলে ব্লাড পেশার কমাতে সাহায্য করবে এবং ডায়েবেটিস কমাতে সাহায্য করবে। সাদা আটার মধ্যে শুধুমাত্র কার্বোহাইড্রেট পাওয়া যায়। অন্যদিকে লাল আটার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও এন্টি-অক্সিডেন্ট পাওয়া যাবে। এখানে ফাইবার আপনার ওজন কমাতে অনেক বেশি হেল্প করবে। আপনি প্রতিদিন ২ বেলা করে লাল আটা খাওয়ার চেষ্টা করবেন। কিন্তু অতিরিক্ত মাত্রায় খাওয়ার চেষ্টা করবেন না।

৮। শাকসবজি : শরীর সুস্থ রাখার জন্য শাকসবজির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। শুধু তাই নয় শাকসবজি খাওয়ার ফলে কমানো যাবে আপনার অতিরিক্ত ওজন। শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন পাওয়া যায় আমাদের দেহের জন্য খুবই ভালো। ওজন কমানোর জন্য যে সবজিগুলো খাওয়ার চেষ্টা করবেন তা হলো- ব্রকলি, ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, শালগম, গাজর ও ইত্যাদি। এই সবজিগুলোর মধ্যে অনেক প্রকারের ভিটামিন ও ফাইবার রয়েছে। সুতরাং শকসবজি অনেক ভালো একটি ওজন কমানোর উপায়।

৯। ওটস : শরীরের ওজন কমানোর উপায় গুলোর মাধ্যে ওটস অন্যতম ভূমিকা পালন করে। আমাদের শরীরের ওজন কমানো থেকে শুরু করে হৃদরোগ, কোলেস্টেরল ও উচ্চরক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। ওটস একটি উপকারি খাদ্য শস্য যার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। ওটসের এই ফাইবার মানুষের শরীরের চর্বি কমায়। প্রতিদিন সকালে এক বাটি ওটস খাওয়ার চেষ্টা করবেন। কারণ ওটস খাওয়ার পর আপনার ক্ষুদা কম লাগবে ফলে আপনি কম খাবার খাওয়ার কারনে আপনার ওজন কমতে থাকবে। সুতরাং ওজন কমানোর জন্য ওটস খেতে পারেন।

১০। কাজুবাদাম : কোনো খাবার স্বাস্থ্যসম্মত হলে স্বাদ কম হবে এটাই স্বাভাবিক কিন্তু কাজুবাদাম এই কথাটি ভুল প্রমাণিত করবে। কাজুবাদামে আছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান যা খেতেও সুস্বাদু। প্রাকৃতিক লবণহীন কাজুবাদামের স্বাস্থ্যকরি উপকারিতা প্রচুর। প্রতিদিন অল্প কয়েকটি কাজুবাদাম খেলেই আপনার হৃদপিণ্ড ভালো থাকাসহ শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করবে। কাজুবাদামে রয়েছে ভিটামিন-ই, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়াম। এছাড়া কাজুবাদামে প্রোটিন ও ফাইবার পাওয়া যায়। সুতরাং ওজন কমানোর জন্য আপনি কাজুবাদাম খেতে পারেন।

মাত্র ৭ দিনে আপনি ১৫ কেজি ওজন কমিয়ে ফেলতে পারেন খুব সহজেই। এটা শুধু তাদের জন্য যাদের অনেক বেশি ওজন বেড়ে গেছে এবং যাদের ভুঁড়ি বেড়ে গেছে। প্রথমে আপনি একটি আদা ও একটি লেবু নিয়ে ছোট পাত্রের মধ্যে রাখবেন। তার আগে সেগুলো ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। আদাটি সম্পূর্ণ ছিলে কুচি কুচি করে কেটে নিবেন। এরপর আপনি লেবুটা কয়েকটি ছোট ছোট টুকরা করবেন। এখন একটি পাত্রে এক থেকে দেড় গ্লাসের মতো পানি নিয়ে চুলার মধ্যে গরম করতে হবে। তার আগে আপনি পাত্রের মধ্যে আদা ও লেবুর টুকরাগুলো রেখে দিবেন এবং সেগুলো একসাথে পানিতে গরম করতে হবে।

যতক্ষণ পর্যন্ত পানির একটা কালার না আসবে সেগুলো গরম করতে থাকবেন। যখন পানির কালার চলে আসবে সাথে সাথে চুলা থেকে পাত্রটি নামিয়ে ফেলতে হবে। এখন পাত্রের মধ্যে উপকরণ গুলো ছেঁকে শুধু পানিটুকু একটা পরিষ্কার গ্লাসে রাখবেন। এখন চাইলে আপনি পানিগুলো পান করতে পারেন আর এই পানিগুলো আপনি সকালে খাওয়ার চেষ্টা করবেন। ওজন কমানোর জুসটি বানিয়ে পান করার পর আপনার কয়েক মিনিট পর্যন্ত শরীরে ঘাম ঝড়তে পারে কারণ তখন আপনার শরীরের চর্বি কমতে থাকবে। সুতরাং আপনি খুব সহজেই এভাবে ওজন কমানোর জুস বানিয়ে ৭ দিনের মধ্যে ১৫ কেজি ওজন কমিয়ে আনতে পারেন। আর এটা হচ্ছে আপনার জন্য দুর্দান্ত ওজন কমানোর উপায়।

ডায়েট ছাড়াই ওজন কমানোর উপায় : নিজের শরীরের ওজন কমানোর জন্য মানুষ ডায়েট কন্ট্রোল করে থাকে। কিন্তু আপনি চাইলে ডায়েট কন্ট্রোল না করেই শরীরের ওজন কমিয়ে আনতে পারেন। আপনি নিচে মজার কয়েকটি নিয়ম বলব যেগুলো মেনে চললে আপনার ডায়েট কন্ট্রোলিং ছাড়াই ওজন কমাতে পারবেন।

১। ছোট প্লেটে খাওয়া : আপনি হয়তো ছোট প্লেটে খাবার খাওয়ার কথা শুনে একটু অবাক হয়েগেলেন। কিন্তু ছোট প্লেটে খাবার খাওয়ার কারনে আপনি নিজের ওজন কমাতে পারেন খুব সহজেই। এক গবেষণায় দেখাগেছে ছোট প্লেটে খাবার খাওয়ার ফলে মানুষ ২০ ভাগ কম খায় হ্যাঁ এটাই সত্য। আমি আগেই বলেছি ইসলামিক নিয়ম অনুযায়ী কম খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। ছোট প্লেটে বা বড় প্লেটে খাবার খেতে হবে বিষয়টা তা নয়। ছোট প্লেটে খাবার খাওয়ায় মানুষ ভাবে আমি অনেক বেশি খেয়ে ফেলেছি। তাই আপনি যদি বড় প্লেটে কম খেয়ে থাকতে পারেন তাহলে ছোট প্লেটে না খেলেও চলবে। এর জন্য আবার আপনি খাবার দাবার ছেড়ে দিয়েন না। খাদ্য আহার করবেন কিন্তু পরিমাণ মতো।

২। ওজন কমানোর উপায়-পানি পান করা : আপনি যদি খাবার কমা খাওয়ার পরেও মিষ্টি জাতীয় পানি পান করে থাকেন তাহলে আপনার ওজন কমবে না বরং বৃদ্ধি পাবে। অর্থাৎ আপনি বাহিরে দোকান থেকে পেপসি বা কোকাকোলা এইসব জাতীয় পানি পান থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করবেন। সবসময় বিশুদ্ধ ভেজালমুক্ত পানি পান করার চেষ্টা করবেন। আর আমি আগেই বলেছি খাবার খাওয়ার আগে কিছুটা পানি পান করে নিবেন এটা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য উপকার।

৩। ওজন কমানোর উপায়-ভাল ঘুম দেওয়া: ওজন কমানোর জন্য ভাল ঘুম আসা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঘুম যদি ঠিক মতো না হয় তাহলে আপনার স্বাস্থ্য ঠিক থাকবে না। বিভিন্নভাবে আপনার রোগবালাই দেখা দিতে পারে। ভালো ঘুম না হওয়ার কারনে আপনার বেশি ক্ষুদা লাগার আশঙ্কা থাকতে পারে। অনেকে রাতে ঠিক মতো ঘুম আসে না বরং দেরি করে ঘুম আসার কারনে শরীরের ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। যেমন ধরণের রাতে দেরি করে ঘুম আসলে দিনের বেলায় আপনার শুধু ঘুম আসতে মনে চাইবে কোনো কাজ কর্মে যেতে মন চাইবে না, ব্যায়াম করতে ভালো লাগবে না ইত্যাদি।

সর্বশেষ : প্রতিটি মানুষের নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি যন্ত নেওয়া উচিৎ। কারণ স্বাস্থ্যের প্রতি যত্ন না নিলে শরীরের অনেক ক্ষতি হতে পারে। বিভিন্ন সময় নানাভাবে রোগবালাই আক্রমণ করতে পারে। প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় আমাদের পুষ্টিকর খাদ্য রাখা প্রয়োজন। যাদের ওজন বেড়ে যায় তাদের শরীরের প্রতি আগে যত্ন নেওয়া হয়নি ফলে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। ওজন কমানোর জন্য প্রতিদিন একটু ব্যায়াম করা প্রয়োজন। কারণ বেশি অবশর সময় কাটালে ওজন বেড়ে যাওয়ার সম্ভাব না থাকে। আপনি চাইলে উপরে দেওয়া নিয়মগুলো মেনে ওজন কমাতে পারেন। ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন আল্লাহ্‌ হাফেজ!

About Lipu Chowdhury

Check Also

হঠাৎ করে প্রেসার বেড়ে বা কমে গেলে খুব দ্রুত যা করবেন এবং খাবেন।

হাই ব্লাড প্রেসার বা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। সঠিক খাদ্যগ্রহণের মাধ্যমে এর থেকে দূরে ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *